বাংলাদেশে পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। দেশের সরকার বিভিন্ন প্রকল্প আর নীতি তৈরি করেছে। যেমন, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ আর এর সংশোধন ২০১০, এই আইনগুলোতে পরিবেশ নষ্টকারী কাজগুলোকে নিষেধ করা হয়েছে এবং পরিবেশ সুরক্ষার জন্য আইন মেনে চলার দায়িত্ব সরকার ও বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলোর ওপর দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ বিভাগ (DoE) পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন প্রকল্প চালিয়ে যাচ্ছে, যেমন স্বচ্ছ বাতাস, শুদ্ধ পানি, বনাঞ্চল বৃদ্ধি প্রকল্প ইত্যাদি।
বাংলাদেশের অধিবাসীরা পরিবেশ সংরক্ষণের মূল্যবোধ ও সচেতনতা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন সম্প্রচার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বিশ্ব পরিবেশ দিবস, বন দিবস, চাঁদার দিবস ইত্যাদি উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হচ্ছে যাতে মানুষ পরিবেশ সুরক্ষার প্রতি আরও সচেতন হতে পারে। সূক্ষ্মকণামূলক দূষণ কমানোর জন্য সরকার বাস্তবায়নের দিকে মনোনিবেশ করেছে, যেমন ইলেকট্রিক ভাহিকা চালু করা, সৌর শক্তির ব্যবহার বাড়ানো, আর বিভিন্ন শিল্পে দূষণকারী পদ্ধতির পরিবর্তে সবুজ প্রযুক্তি প্রবর্তন করা।
এই পদক্ষেপগুলো সকলের জীবনে বড় একটা প্রভাব ফেলবে। পরিবেশ সুরক্ষার ফলে আমরা স্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকতে পারবো, যেখানে বাতাস, পানি আর ভূমি পরিষ্কার থাকবে। এর মানে হল মানব স্বাস্থ্য উন্নয়ন হবে, বিভিন্ন রোগ কমে যাবে আর জীবনযাপনের মান উন্নত হবে। আরও, বনাঞ্চল বৃদ্ধি প্রকল্প ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের মাধ্যমে জৈব বৈচিত্র্য রক্ষিত হবে, যা দেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে সাহায্য করবে। এছাড়াও, সুষম আবহ প্রকল্প আর সূক্ষ্মকণামূলক দূষণ কমানোর প্রচেষ্টা দেশের জলবায়ু পরিবর্তন এর প্রভাব কমাতে সাহায্য করবে।