কক্সবাজারের ট্যুরিজম শিল্প এখন মোটামুটি ভালো অবস্থায় রয়েছে, বিশেষ করে সরকারের নানারকম উন্নয়ন প্রকল্প ও সুবিধা যোগানের কারণে। সরকার কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্য একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে উন্নয়নের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে সেখানে নতুন হোটেল, রেস্টুরেন্ট, ও ট্যুরিস্ট ফ্রেন্ডলি সেবার ব্যবস্থাপনা হয়েছে। প্রকৃতির সৌন্দর্য ও সমুদ্র সন্ধ্যার আকর্ষণে দেশের ও বিদেশের পর্যটকরা সবসময় আসছে, এবং এই উন্নয়ন প্রকল্পগুলো তাদের অভিজ্ঞতা আরও ভালো করে তুলেছে।
ছোট স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বড় হোটেল ও রিসর্টগুলোর পাশাপাশি নিজেদের প্রতিষ্ঠানগুলো উন্নত করেছে পর্যটকদের জন্য সুবিধার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য। এছাড়াও, পর্যটন ও উৎসব মন্ত্রণালয় নানারকম অনুষ্ঠান ও প্রচারাভিযান চালিয়ে যাচ্ছে যাতে কক্সবাজার একটি নিরাপদ, মুনোদী ও সুবিধাজনক গন্তব্য হিসেবে আরও জনপ্রিয় হয়। সেখানে নতুন ট্যুরিস্ট ইনফরমেশন সেন্টার, মেডিকেল সেন্টার, পুলিশ থানা ও অন্যান্য সেবা প্রদানের কেন্দ্রগুলো পর্যটকদের জন্য অনেক সুবিধার কারণ হচ্ছে।
পর্যটন শিল্পের উন্নয়নের সাথে সাথে কক্সবাজারের যাতায়াত ব্যবস্থাও ভালোভাবে উন্নত হয়েছে। এখন বাস, ট্যাক্সি, ও রিক্সা এমনকি সমুদ্র পথের বোট সেবাগুলো পর্যটকদের জন্য অনেক সুবিধাজনক হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে কক্সবাজার এয়ারপোর্টের উন্নয়ন প্রকল্প সম্পন্ন হওয়ার পর এই অঞ্চলে আন্তর্জাতিক পর্যটকদের আগমন অনেক বেড়েছে। ফলে, স্থানীয় অর্থনীতিও অনেক উন্নতি লাভ করেছে।
এছাড়াও, কক্সবাজারে নানারকম নতুন পর্যটন অ্যাট্রাকশন যেমন আকাশের রাজ্য, নীল সমুদ্র, সান রিসর্ট, এবং নানা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শৈল্পীকৃত মেলা ও উৎসব আয়োজিত হচ্ছে যা পর্যটকদের জন্য আরও অনেক আকর্ষণীয় করে তুলেছে। এই সব উন্নয়ন প্রকল্প ও সুবিধাগুলো পর্যটকদের সংখ্যার বৃদ্ধির কারণ হচ্ছে এবং কক্সবাজারকে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে তুলেছে।